অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ের Activity Task-3 এর উত্তর/ Environmental Science Activity Task-3 Answers for Class- 8

 Environmental Science Activity Task-3 Answers for Class- 8/ অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ের Activity Task-3 এর উত্তর। 

বাংলার শিক্ষার অনলাইন ক্লাস রুমে অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান (Environmental Science) বিষয়ের যে ক্লাস হয়েছে তাতে পরিবেশ বিজ্ঞান  
(Environmental Science) বিষয়ের উপর যে Activity Task-3 দেওয়া হয়েছে তার উত্তর করে দেওয়া হল। পরিবেশ বিজ্ঞান  (Environmental Science) বিষয়ের এই উত্তর গুলি থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক উপকার হবে। 


Environmental Science Activity Task-3 Answers for Class- 8





1. তড়িতের প্রভাবে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে সমীকরণ সহ এমন উদাহরণ দাও। 

উঃ- জলে একটু সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) মিশিয়ে তার মধ্যে ব্যাটারির সাহায্যে তড়িৎ পাঠালে দেখা যাবে দুটো তড়িতদ্বারেই বুদবুদ আকারে গ্যাস নির্গত হচ্ছে। এর মধ্যে একটা হলো হাইড্রোজেন ও অন্যটা হলো অক্সিজেন। এক্ষেত্রে জল বিয়োজিত হয়ে  হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। 
                              2H2O 2H2 +O2  

এখানে তড়িৎ না পাঠালে গ্যাস তৈরী হয় না। অর্থাৎ তড়িতের 

প্রভাবেই এই রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে। 

Environmental Science Activity Task-3 Answers



2. অনুঘটক বলতে কি বোঝায় উপযুক্ত রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমীকরণ সহ ব্যাখ্যা করো।

উঃ- যে সমস্ত পদার্থ, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার গতিকে বাড়িয়ে অথবা কমিয়ে বিক্রিয়াটিকে প্রভাবিত করে, কিন্তু নিজে ওই বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না , তাকে অনুঘটক বলে। 
পরীক্ষাগারে পটাশিয়াম ক্লোরেট ( KClO3  ) থেকে অক্সিজেন  প্রস্তুত করার সময় শুধুমাত্র KClOকে উত্তপ্ত করলে 650C তাপমাত্রায় অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। কিন্তু KClO এর সঙ্গে সামান্য পরিমানে MnO2 মিশিয়ে উত্তপ্ত করলে মাত্র 230C তাপমাত্রায় অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।এক্ষেত্রে  MnO  অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। 
            KClO3  + (MnO2 2KCl + 3O2 + (MnO2)  


Environmental Science Activity Task-3 Answers


3. রাসায়নিক কারখানায় কঠিন অনুঘটক সূক্ষ্ম চূর্ণ অথবা সরু তারজালির আকারে রাখা হয় কেন ? 

উঃ-রাসায়নিক  বিক্রিয়ায়  কঠিন অনুঘটককে চূর্ণ  করে ব্যবহার করা উচিত। কারন, কঠিন অনুঘটক ভেঙে সূক্ষ্ম চূর্ণে পরিণত করলে তার পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায়। ফলে বিক্রিয়ক পদার্থের পরমাণু, অনু বা আয়নগুলি বেশি সংখ্যক অনুঘটক  অনুর সংস্পর্শে আসে। এর ফলে বেশি সংখ্যক পরমাণু, অনু বা আয়ন বিক্রিয়া করার সুযোগ পায় এবং বিক্রিয়াটি দ্রুত ঘটে। অক্সিজেন গ্যাস প্রস্তুত করার সময় MnO  কে চূর্ণ  করে ব্যবহার করলে দ্রুত অক্সিজেন নির্গত হয়। 

4. মানবদেহে উৎসেচকের গুরুত্ব উল্লেখ করো। 

উঃ- খাবারের বিভিন্ন উপাদান যেমন শর্করা, প্রোটিন, লিপিড ইত্যাদি হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়া খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। বিভিন্ন প্রোটিন তৈরীতে সাহায্য করে। উৎসেচক কোশ মধ্যস্থ ক্ষতি কারক যৌগ নষ্ট করতে সাহায্য করে। উৎসেচকের উপস্থিতিতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া গুলি অত্যান্ত দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হয়। প্রতিটি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট উৎসেচক অনুঘটক রূপে কাজ করে। 

5. খাবার সোডা ও টারটারিক অ্যাসিডের কেলাস মেশালে কোনো বিক্রিয়া হয় না, কিন্তু জল দিলেই দ্রুত বিক্রিয়া ঘটে- ব্যাখ্যা করো। 

উঃ- খাবার সোডা ও টারটারিক অ্যাসিডের কেলাস উভয়েই কঠিন পদার্থ। তাই তাদের অনু বা আয়নরা পরস্পর মেশবার সুযোগ পায় না। ফলে কোনো বিক্রিয়া হয় না। কিন্তু দ্রাবক বা জল যোগ করলে বিক্রিয়কের মধ্যে থাকা অনু বা আয়ন আলাদা হয়ে যায় এবং বিক্রিয়া শুরু হয়। 


👉 অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান (Environmental Science) বিষয়ের মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক - ২০২১ এর উত্তর - Click here 







Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.